ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করে উল্টো পথে গাড়ি চালানোর সময় থামতে বলায় হাইওয়ে পুলিশের এক সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার যুবলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে।গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলার মোকামতলা বন্দরে এ ঘটনা ঘটে।অভিযুক্ত যুবলীগ নেতার নাম আপেল সরকার। তিনি শিবগঞ্জের মোকামতলা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদযাত্রায় যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মোকামতলা বন্দরে যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিল হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় যুবলীগ নেতা আপেল একটি মাইক্রোবাস চালিয়ে সোনাতলা উপজেলা সড়ক থেকে রংপুর-ঢাকা হাইওয়েতে ওঠার পর উল্টো পথে গাড়ি চালিয়ে মোকামতলা বন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তৌহিদ নামের হাইওয়ে পুলিশের এক সদস্য যুবলীগ নেতা আপেলকে থামতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আপেল ও তাঁর সঙ্গে থাকা সঙ্গীরা গাড়ি থেকে নেমে পুলিশ সদস্য তৌহিদের কলার ধরে মারধর শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশ সদস্য তৌহিদকে ছাড়িয়ে নেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আপেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের ঘটনায় থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে আপেল সরকারের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, হাইওয়ে পুলিশের ওপর চড়াও এবং সরকারি কাজে বাধাদানের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। যুবলীগ নেতা আপেল ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা নিয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাইওয়ে বগুড়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, হাইওয়ে পুলিশের এক সদস্যের ওপর চড়াও এবং সরকারি কাজে বাধাদানের বিষয়টি জানার পরপরই জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বগুড়া জেলা পুলিশ জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা করছে।